US Iran ceasefire চুক্তিতে পৌঁছেছে। এই খবরটি গতকাল মঙ্গলবার রাতে ঘোষণা করা হয়েছে এবং এটি বর্তমানে চলমান যুদ্ধে একটি অস্থায়ী শান্তির সম্ভাবনা তৈরি করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানিয়েছেন যে, ইরান যদি Strait of Hormuz সম্পূর্ণভাবে, তাৎক্ষণিক এবং নিরাপদে খুলে দেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র দুই সপ্তাহের জন্য বোমাবর্ষণ ও আক্রমণ স্থগিত রাখবে। এই US Iran ceasefire চুক্তির ফলে আন্তর্জাতিক বাজারেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
US Iran ceasefire: ট্রাম্প ঘোষণা করলেন, হরমুজ প্রণালী খুলবে ইরান
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছেন যে, আক্রমণ বন্ধ হলে ইরান two-week ceasefire মেনে নেবে এবং Strait of Hormuz-এ নিরাপদ যাতায়াত তাদের সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে সম্ভব করবে। চুক্তি অনুসারে আগামী শুক্রবার থেকে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা শুরু হবে। এই আলোচনায় ইরানের প্রস্তাবিত ১০-দফা পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা হবে বলে জানা গেছে।

এই চুক্তির পেছনে কয়েক সপ্তাহের তীব্র উত্তেজনা রয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাস থেকে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে সংঘাত চলছিল। ট্রাম্প প্রশাসন প্রথমে ইরানের ১০-দফা পরিকল্পনাকে ‘workable’ বলে উল্লেখ করলেও পরে তা প্রত্যাখ্যান করে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষ সমঝোতায় আসে। এটি কোনো স্থায়ী শান্তি চুক্তি নয়, বরং দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি যাতে আরও আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই চুক্তি উভয় পক্ষের জন্যই একধরনের কৌশলগত সাফল্য। ট্রাম্প বলেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র “total and complete victory” পেয়েছে, অন্যদিকে ইরানও তাদের অবস্থান ধরে রেখে Strait of Hormuz খুলে দিয়ে আন্তর্জাতিক চাপ কমিয়েছে। তবে ইসরায়েল জানিয়েছে যে এই যুদ্ধবিরতি লেবাননের সংঘাতকে অন্তর্ভুক্ত করে না।
অর্থনৈতিক দিক থেকে এই চুক্তির প্রভাব ইতিমধ্যেই দেখা যাচ্ছে। তেলের দাম কমেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে ফিউচার্স উর্ধ্বমুখী হয়েছে। Strait of Hormuz বিশ্বের তেল সরবরাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট, যার বন্ধ থাকায় বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লাগার আশঙ্কা ছিল। এখন সাময়িকভাবে হলেও সেই ঝুঁকি কমেছে।
এই চুক্তির সফলতা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করবে আগামী দুই সপ্তাহের আলোচনার ওপর। যদি উভয় পক্ষ আস্থা বজায় রাখতে পারে এবং আরও বড় ধরনের শান্তি চুক্তিতে পৌঁছায়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায় শুরু হতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়েছেন যে, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে এ ধরনের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি সহজেই ভেঙে যেতে পারে যদি আস্থা না থাকে।
Read More News: Weblipsbangla.in
সার্বিকভাবে, U.S., Iran agree to two-week ceasefire চুক্তিটি বর্তমানে একটি স্বস্তির খবর। এটি দেখিয়ে দেয় যে, কঠিন পরিস্থিতিতেও কূটনীতির মাধ্যমে সমাধান সম্ভব। বিশ্ববাসী এখন অপেক্ষায় আছে আলোচনার ফলাফল কী হয়। আমাদের নিউজ ওয়েবসাইটে আমরা এই ঘটনার সর্বশেষ আপডেট নিয়মিত প্রকাশ করব।