Notification

ভারতের গুজরাটে বিমান দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া একমাত্র যাত্রী ব্রিটিশ নাগরিক Vishwash Kumar Ramesh

Sahil
5 Min Read

অহমদাবাদ, ১৩ জুন ২০২৫: গত ১২ জুন ২০২৫, বৃহস্পতিবার দুপুরে গুজরাটের অহমদাবাদে Air India-র Flight AI171, London Gatwick Airport-এর উদ্দেশে Sardar Vallabhbhai Patel International Airport থেকে Takeoff-এর কয়েক মিনিট পর মেঘানিনগরের একটি Residential Area-তে Crash হয়। এই Tragic Accident-এ বিমানে থাকা ২৪২ জন Passenger ও Crew Member-দের মধ্যে ২৪১ জন নিহত হন। Miracle-এর মতো বেঁচে যান একমাত্র Passenger, ৪০ বছর বয়সী British Citizen Vishwash Kumar Ramesh।

Vishwash Kumar Ramesh


Air India-র Boeing 787-8 Dreamliner বিমানটি Local Time দুপুর ১:৩৮ মিনিটে (UTC ০৮:০৮) Takeoff করে। FlightRadar24-এর তথ্য অনুযায়ী, Takeoff-এর মাত্র ৩০ সেকেন্ড পরে বিমানটির Signal হারিয়ে যায়। বিমানটি মাত্র ৬২৫ ফুট Altitude-এ পৌঁছানোর পর মেঘানিনগরের BJ Medical College-এর একটি Medical Hostel-এ আছড়ে পড়ে এবং Explosion-এর সঙ্গে Fire ধরে যায়। Preliminary Report অনুযায়ী, Pilot Takeoff-এর পরপরই ‘Mayday’ Call জারি করেছিলেন, যা Emergency Situation-এর ইঙ্গিত দেয়।

বিমানে ২৩০ জন Passenger এবং ১২ জন Crew Member ছিলেন। Passenger-দের মধ্যে ১৬৯ জন Indian, ৫৩ জন British, ৭ জন Portuguese এবং ১ জন Canadian নাগরিক ছিলেন। Casualties-এর মধ্যে Gujarat-এর Former Chief Minister Vijay Rupani, British Citizen Akil Nanabawa, তাঁর Wife Hanna Vohraji এবং তাঁদের চার বছরের Daughter Sara উল্লেখযোগ্য।

একমাত্র বেঁচে যাওয়া যাত্রী Vishwash Kumar Ramesh


Vishwash Kumar Ramesh, যিনি Seat 11A-তে বসেছিলেন, Emergency Exit Door-এর কাছে থাকায় দ্রুত Escape করতে সক্ষম হন। Hindustan Times-কে দেওয়া Interview-এ তিনি বলেন, “Takeoff-এর ৩০ সেকেন্ড পর একটি Loud Noise হয় এবং বিমানটি Crash হয়। সবকিছু এত দ্রুত ঘটে গেল। আমি যখন উঠে দাঁড়ালাম, চারপাশে শুধু Dead Bodies। আমি Panic-এ পড়ে যাই। Run করার সময় বিমানের Debris চারদিকে ছড়িয়ে ছিল। কেউ আমাকে ধরে Ambulance-এ তুলে Hospital-এ নিয়ে যায়।”

Ramesh, যিনি গত ২০ বছর ধরে London-এ Reside করছেন, তাঁর Brother Ajay Kumar Ramesh-এর সঙ্গে Diu-তে Family Visit-এ এসেছিলেন। Accident-এর সময় Ajay অন্য Seat-এ ছিলেন এবং তিনি এখনও Missing। Ramesh-এর আরেক Brother Nayan Kumar Ramesh BBC-কে বলেন, “Vishwash কীভাবে Survive করলেন, তা তিনি নিজেও জানেন না। তিনি শুধু Ajay-কে Find করতে Concerned।”

Ahmedabad Civil Hospital-এ Treatment-এ থাকা Ramesh-এর Body-তে Multiple Injuries এবং Face ও Chest-এ Wounds রয়েছে। তবে Doctors-এর মতে, তিনি Out of Danger এবং Walk করতে সক্ষম। Union Home Minister Amit Shah Hospital-এ গিয়ে Ramesh-এর সঙ্গে Meet করেন এবং তাঁর Recovery-এর জন্য Wish করেন।

বিমানটি মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে আছড়ে পড়ায় স্থলভাগে বেশ কয়েকজন নিহত ও আহত হন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ২৪ জন স্থলভাগে নিহত হয়েছেন, এবং ৫০ জনেরও বেশি ছাত্র হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মোট মৃতের সংখ্যা ২৬৫ ছাড়িয়েছে, তবে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে মৃতদেহ শনাক্তকরণের কাজ চলছে।

দুর্ঘটনার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে বিমানের একটি ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করা হয়েছে, যা তদন্তে সহায়ক হবে। ভারতীয় বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের নেতৃত্বে তদন্ত শুরু হয়েছে, যাতে যুক্তরাজ্যের এয়ার অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্রাঞ্চ (এএআইবি), মার্কিন ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড এবং বোয়িংয়ের বিশেষজ্ঞরা অংশ নিচ্ছেন। সম্ভাব্য কারণ হিসেবে পাখির ধাক্কা বা অতিরিক্ত ওজনের কথা বলা হচ্ছে, তবে এখনও কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি

জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ), দমকল বাহিনী এবং পুলিশ দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। দুর্ঘটনাস্থলের ধ্বংসাবশেষ পরিষ্কারের কাজ প্রায় শেষের দিকে। বিমানবন্দরটি আংশিকভাবে পুনরায় চালু হয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুর্ঘটনাকে “হৃদয়বিদারক” বলে অভিহিত করেছেন এবং শুক্রবার অহমদাবাদে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, রাজা চার্লস এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সমবেদনা জানিয়েছেন। এয়ার ইন্ডিয়ার মালিক টাটা গ্রুপ প্রত্যেক নিহতের পরিবারের জন্য ১ কোটি টাকা এবং আহতদের চিকিৎসার খরচ বহনের ঘোষণা করেছে।

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের পরিবারের জন্য সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করেছে। এয়ার ইন্ডিয়া অহমদাবাদ, মুম্বাই, দিল্লি এবং গ্যাটউইকে সহায়তা কেন্দ্র চালু করেছে।

এই দুর্ঘটনা ভারতের সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনাগুলির মধ্যে একটি। ভিশ্বাস কুমার রমেশের বেঁচে যাওয়া একটি অলৌকিক ঘটনা হলেও, তাঁর ভাইয়ের নিখোঁজ থাকা এবং এত বিপুল সংখ্যক প্রাণহানি গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে। তদন্তের ফলাফল এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সবাই অপেক্ষা করছে।

Share This Article
Leave a Comment